নিয়মিত পড়ার রুটিন ভালো ছাত্রের পড়ার রুটিন
পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার জন্য নিয়মিত পড়ার রুটিন বানানো প্রয়োজন। নিয়মিত রুটিন অনুযায়ী পড়াশোনা করলে পরীক্ষার আগে তা শেষ হতে সহায়তা করে এবং ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব হয়।
আজকের এই আর্টিকেলটিতে আমরা জানবো নিয়মিত পড়ার রুটিন ভালো ছাত্রের পড়ার রুটিন। আজকের আর্টিকেলটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন আশা করছি নতুন কিছু শিখতে পারবেন এবং জানতে পারবেন। তো চলুন আর্টিকেলটিতে যাওয়া যাক।
পোস্ট সূচিপত্রঃ নিয়মিত পড়া রুটিন ভালো ছাত্রের পড়ান রুটিন
- নিয়মিত পড়ার রুটিন
- ভালো ছাত্রের পড়ান রুটিন
- ১০ ঘণ্টা পড়ার রুটিন
- সকালে পড়ার উপকারিতা
- পড়ার রুটিন বানানো কেন প্রয়োজন
- পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার উপায়
- সফল ব্যক্তিদের পড়ার রুটিন
- কোন সময়ে পড়াশোনা করলে ভালো হয়
- পড়াশোনা আমাদের জীবনে কেনো প্রয়োজন
- শেষ কথা
নিয়মিত পড়ার রুটিন
প্রত্যেকটা শিক্ষার্থীদের জন্য পড়ার রুটিন বানিয়ে সেই রুটিন অনুযায়ী চলা সহজ নয়। আস্তে আস্তে সেই রুটিন অনুযায়ী চলা সহজ হয়ে উঠে। আমরা সারাদিনের একটি রুটিন বানানো। শুধু যে পড়ার রুটিন হবে তা না তার পাশাপাশি ঘুমানো, রেস্ট, খাওয়া-দাওয়া, খেলাধুলা ইত্যাদি বিষয়ের উপর ও রুটিন থাকবে। তো চলুন রুটিনটা দেখে নেয়া যাক।
এর মাঝে মধ্যে রেস্ট নিবেন। এক ভাবে পড়বেন না এতে করে পড়ায় মন বসেনা তাই কিছুক্ষণ থেমে থেমে পড়বেন।
ভালো ছাত্রের পড়ার রুটিন
একজন ভালো ছাত্র তার পড়ার রুটিন সব সময় মেনে চলে। শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার জন্য রুটিন অনেক বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। একটা মাত্র পড়ার রুটিন আমাদের জীবন পরিবর্তন করে দেই। ভালো ছাত্ররা সব সময় পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলো ইত্যাদিতেও সময় দিয়ে থাকে। ভালো ছাত্ররা সব সময় সকালে পড়তে পছন্দ করে থাকে। তারা নিরিবিলি সময় এ পড়াশোনা করে যাতে তাদের মনোযোগ নষ্ট না হয়। তাই সব সময় নিরিবিলি সময়ে পড়া উচিত যাতে মনোযোগ নষ্ট না হয়। সকল বেলার পড়া বেশি কার্যকর হয় কারণ সেই সময় নিরিবিলি থাকে।
১০ ঘন্টা পড়ার রুটিন
কোনো শিক্ষার্থীরাই একটানা ১০ ঘণ্টা পড়তে পারেনা। কিন্তু রেস্টের সময় ব্যয় করে ভালো মতো পড়া সম্ভব। সকালে ১ ঘণ্টা, দুপুরে ১ ঘণ্টা, সন্ধায় ৫ ঘণ্টা পড়ে অনেক ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব। সকালেঃ যেগুলা কঠিন সাবজেক্ট যেমন গণিত, বিজ্ঞান এগুলা পড়া। দুপুরে বাংলা, ধর্ম সাবজেক্ট পড়া। সন্ধ্যা বেলায় বাকি সব সাবজেক্ট গুলো পড়া উচিৎ। এর মাঝে অবসর সময় ও দিতে হবে। এই ভাবে পড়াশোনা করলে পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করা অবশ্যই সম্ভব।
সকালে পড়ার উপকারিতা
সকল বেলায় পরিবেশ নিরিবিলি থাকে যেই কারণে পড়ায় মন বসে। সকালবেলায় আমাদের মাথা ফ্রেশ থাকে। সকালের পড়া আমাদের মাথায় ভালো মতো মনে থাকে। তাই সকালের পড়ার কার্যকারিতা অপরিসীম।
পড়ার রুটিন বানানো কেন প্রয়োজন
নিয়মিত সময় মত পড়ার জন্য এবং পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার জন্য পরীক্ষার আগে পড়া শেষ করার জন্য রুটিন বানানো প্রয়োজন। একজন ভালো শিক্ষার্থী সব সময় পড়ার রুটিন বানিয়ে থাকে এবং সেই রুটিন অনুযায়ী প্রতিদিন পড়াশুনা করে। যার কারনে তারা পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করতে সক্ষম হয়। তাই ভালো রেজাল্টের জন্য পড়ার রুটিন বানানোর প্রয়োজন।
পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার উপায়
পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার জন্য আমাদের কে অবশ্যই আগে পড়ার রুটিন বানাতে হবে। সেই রুটিন অনুযায়ী পড়াশোনা করলে আমরা ভালো রেজাল্ট করতে পারবো। একটি মাত্র রুটিন আমাদের ভালো রেজাল্ট করতে সাহায্য করে। আর আমাদের কমপক্ষে দিনে ৫-৬ ঘন্টা পড়াশোনা করা উচিত। তাহলে খুব সহজে ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব ।
সফল ব্যক্তিদের পড়ার রুটিন
সফল ব্যক্তিরা তাদের দৈনন্দিন জীবনে রুটিন ব্যবহার করে থাকে। হোক সেটা পড়ার রুটিন বা জীবনের রুটিন। সফল ব্যক্তিরা তাদের জীবনে প্রতিদিন রুটিন ফলো করে থাকে। সময়মতো খাওয়া-দাওয়া করার সময় মত পড়াশোনা করা ইত্যাদি কাজে তারা সবসময় এগিয়ে থাকে। তারা সবসময় পড়াশোনা কে বেশি প্রায়োরিটি দিয়ে থাকে। যার ফলে তাদের ক্যারিয়ার ভালো হয়। তারা তাদের রুটিনে পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যায়াম, মেডিটেশন ইত্যাদি করে থাকে যার ফলে তাদের মন ও মাথা ভালো থাকে। এই ছিল সফল ব্যক্তিদের রুটিন।
কোন সময়ে পড়াশোনা করলে ভালো হয়
পড়াশোনা করার একটি নির্দিষ্ট সময় থাকে। যেমনঃ সকালে পরিবেশ অনেক নিরিবিলি থাকে যার কারণে পরে মনোযোগ ভালো বসে। দুপুরের সময় বাইরের চেঁচামেচি আওয়াজ অনেকটা হয়ে থাকে যার কারণে পড়াশোনায় কন্সেন্ট্রেট করা যায় না। বিকালে খেলাধুলা করার টাইম এই সময় যদি পড়তে বসা হয় তাহলে খেলাধুলো করার সময় পাওয়া যাবে না। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা করা অত্যন্ত প্রয়োজন। সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত সবাই পড়তে বসে তবে হ্যাঁ একভাবে পড়া যাবে না মাঝেমধ্যে ১০-১৫ মিনিটের বিরতি নিতে হবে। তাই বলা যায় সকালের পড়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
পড়াশোনা আমাদের জীবনে কেন প্রয়োজন
জীবনে সফল হওয়ার জন্য বড় কিছু করার জন্য নিজের ক্যারিয়ার করার জন্য পড়াশোনা অত্যন্ত প্রয়োজন। বর্তমান যুগে পড়াশোনা ছাড়া কোন কিছু সম্ভব নয়। কোন একটি ভালো চাকরির জন্য পড়াশোনা করা দরকার ভালো সার্টিফিকেট দরকার। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে পড়াশোনার মান অনেক। পড়াশোনা ছাড়া জীবনে কোন কিছু সম্ভব নয়। তাই পড়াশোনা প্রয়োজন।
শেষ কথা
উপরিউক্ত আলোচনায়, আপনাদের যেগুলো টিপস দিলাম নিয়মিত পড়ার রুটিন ভালো ছাত্রের পড়ার রুটিন সম্পর্কে আমি আশা করছি যে উপরের রুটিন অনুযায়ী আমি পড়লে আপনিও ভালো রেজাল্ট করবেন।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url